»রামুর দক্ষিন মিঠাছড়িতে বন বিভাগের জমিতে ফের অবৈধ স্থাপনা ॥ ভূমিগ্রাসী চক্র বেপরোয়া »রামুতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কাউন্সিল সম্পন্ন »রামুর শিক্ষক সুমথ বড়ুয়ার পিতৃবিয়োগ »রামুতে পুলিশ-ডাকাত গোলাগুলিতে ডাকাত নিহত ॥ এএসআইসহ গুলিবিদ্ধ ৫ »রামুতে বাল্যবিয়ের ঘটনায় আটক ৪ »খোলা আকাশের নিচে বিদ্যাপাঠ »নাইক্ষ্যংছড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার »নাইক্ষ্যংছড়ির ইউএনও আহমেদ জমিল বদলি : নতুন ইউএন‘র যোগদান ২১ এপ্রিল »কক্সবাজার বেতারের সহকারী পরিচালক সুমন কান্তি নাথ এর বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন »ইসলামাবাদে ডাকাত গ্রেফতার, মালামাল ও বন্দুক উদ্ধার »সংস্কৃতি কর্মী দোলনের অকাল প্রয়াণ »রবি’র আলোয় আলোকিত হল নাইক্ষ্যংছড়ির দূর্গম এলাকা আশারতলি »‘তরমুজ খেয়ে’ ২ শিশুর মৃত্যু »মাদকদ্রব্য ধংস করতে গিয়ে ১১ বিজিবি সদস্য অগ্নিদগ্ধ »জমে উঠেছে “কক্সবাজার জেলা বইমেলা-২০১৪”

রামুতে পরিকল্পিত হামলা, পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনকভাবে নিরব: মওদুদ

রামু নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহারে ধ্বংসযজ্ঞ এবং বাড়িঘরে সহিংসতা রোধে প্রশাসন ‘চরমভাবে’ ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। রামুর ঘটনা, খতিয়ে দেখতে বিএনপি গঠিত তদন্ত কমিটি শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর কমিটির আহ্বায়ক মওদুদ সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজার থেকে রামুর দূরত্ব মাত্র আধ ঘণ্টার পথ। ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে এবং রাত দেড়টার সময়েও অনেক বৌদ্ধবিহার ও বাড়িঘরে আগুন দেয়া হয়।  “কিন্তু তখন পর্যন্ত জেলা শহর থেকে প্রশাসন বা পুলিশের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যাননি বলে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন অভিযোগ করেছেন।”
এই বিএনপি নেতা বলেন, “সরেজমিনে পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বক্তব্য শুনে এবং ঘটনার আলামত পর্যালোচনা করে আমরা নিশ্চিত যে ঘটনাটি পরিকল্পিত ছিল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনকভাবে নিরব।”

ফেইসবুকে কোরআন অবমাননার অভিযোগে গত শনিবার রাতে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর চালায় ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা। পরদিন চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফেও হামলার ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লোকজনের বরাত দিয়ে মওদুদ বলেন, পুলিশ ‘একটু উদ্যোগী’ হলে ঘটনা এতো ভয়াবহ হতো না।

‘তদন্ত কমিটির’ সদস্যরা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রথমে রামু কেন্দ্রীয় সীমা বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে ভিক্ষুদের এবং পরে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা দুপুর পর্যন্ত রামুর বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহার ও বাড়িঘর পরিদর্শন করেন।

বিএনপির এই ‘তদন্ত কমিটি’র অপর সদস্যরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম-মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ, রুহুল আলম, গৌতম চক্রবর্তী ও অধ্যাপক সুকুমল বড়ুয়া।

Both comments and pings are currently closed.

Comments are closed.