»গর্জনিয়া সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠান ও অভিভাবক সমাবেশে রিয়াজ উল আলম »রামুতে তপোবন বৌদ্ধ বিহারের ভিত্তি প্রস্থর ও বুহ্যচক্র মেলায় উপজেলা চেয়ারম্যান »রামু রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারে বুহ্যচক্র ও বৌদ্ধ সম্মেলন অনুষ্ঠিত »বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে কাউয়ারখোপকে আলোকিত করেছেন মরহুম ফারুক আহমদ–কমল এমপি »রামুতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণ উদযাপন »জাতীয় সংসদে শ্রেষ্ঠ বক্তার স্বীকৃতি পেলেন এম.পি কমল »ঈদগড়ে হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিডি’র চাল বিতরণ কালে উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ »রামুতে ওপেন ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশীপ সম্পন্ন »কক্সবাজারে মিডিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে রিপোটার্স ইউনিটিকে হারিয়ে ক্রীড়া লেখক সমিতির শিরোপা জয় »রামুতে ৭ বছরের শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার »সুভার্থী ও সহকর্মীদের ভালবাসায় সাংবাদিক সোয়েব সাঈদের জন্মদিন উদযাপন »গরমে সতেজ থাকার উপায় »টইটংয়ে সিআরপিএআরপি বনায়ন সৃজন কাজের শুভ উদ্বোধন »কক্সবাজার স্বাধীনতা দিবস প্রীতি টেবিল টেনিস টুর্নামেণ্ট-২০১৫ এর শুভ উদ্বোধন »পেকুয়ায় অনুমোদহীন ১২টি করাতকল ! হুমকির মুখে সংরক্ষিত বনাঞ্চল

রামুতে পরিকল্পিত হামলা, পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনকভাবে নিরব: মওদুদ

রামু নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহারে ধ্বংসযজ্ঞ এবং বাড়িঘরে সহিংসতা রোধে প্রশাসন ‘চরমভাবে’ ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। রামুর ঘটনা, খতিয়ে দেখতে বিএনপি গঠিত তদন্ত কমিটি শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর কমিটির আহ্বায়ক মওদুদ সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজার থেকে রামুর দূরত্ব মাত্র আধ ঘণ্টার পথ। ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে এবং রাত দেড়টার সময়েও অনেক বৌদ্ধবিহার ও বাড়িঘরে আগুন দেয়া হয়।  “কিন্তু তখন পর্যন্ত জেলা শহর থেকে প্রশাসন বা পুলিশের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যাননি বলে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন অভিযোগ করেছেন।”
এই বিএনপি নেতা বলেন, “সরেজমিনে পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বক্তব্য শুনে এবং ঘটনার আলামত পর্যালোচনা করে আমরা নিশ্চিত যে ঘটনাটি পরিকল্পিত ছিল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনকভাবে নিরব।”

ফেইসবুকে কোরআন অবমাননার অভিযোগে গত শনিবার রাতে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর চালায় ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা। পরদিন চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফেও হামলার ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লোকজনের বরাত দিয়ে মওদুদ বলেন, পুলিশ ‘একটু উদ্যোগী’ হলে ঘটনা এতো ভয়াবহ হতো না।

‘তদন্ত কমিটির’ সদস্যরা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রথমে রামু কেন্দ্রীয় সীমা বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে ভিক্ষুদের এবং পরে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা দুপুর পর্যন্ত রামুর বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহার ও বাড়িঘর পরিদর্শন করেন।

বিএনপির এই ‘তদন্ত কমিটি’র অপর সদস্যরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম-মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ, রুহুল আলম, গৌতম চক্রবর্তী ও অধ্যাপক সুকুমল বড়ুয়া।