»নাইক্ষ্যংছড়ির নতুন ইউএনও‘র যোগদান »টেকনাফে আশার বিকাশ ও দল উন্নয়ন প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত »রামুতে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন »পেকুয়ায় বৈশাখী মেলা ও বলি খেলায় দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, ২০ রাউন্ড গুলি বিনিময় »তাপদাহে পুড়ছে দেশ »রামুর দক্ষিন মিঠাছড়িতে বন বিভাগের জমিতে ফের অবৈধ স্থাপনা ॥ ভূমিগ্রাসী চক্র বেপরোয়া »রামুতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কাউন্সিল সম্পন্ন »রামুর শিক্ষক সুমথ বড়ুয়ার পিতৃবিয়োগ »রামুতে পুলিশ-ডাকাত গোলাগুলিতে ডাকাত নিহত ॥ এএসআইসহ গুলিবিদ্ধ ৫ »রামুতে বাল্যবিয়ের ঘটনায় আটক ৪ »খোলা আকাশের নিচে বিদ্যাপাঠ »নাইক্ষ্যংছড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার »নাইক্ষ্যংছড়ির ইউএনও আহমেদ জমিল বদলি : নতুন ইউএন‘র যোগদান ২১ এপ্রিল »কক্সবাজার বেতারের সহকারী পরিচালক সুমন কান্তি নাথ এর বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন »ইসলামাবাদে ডাকাত গ্রেফতার, মালামাল ও বন্দুক উদ্ধার

কক্সবাজারে পালিত হচ্ছেনা বিশ্ব শরণার্থী দিবস

রামু নিউজ ডেস্ক: আজ ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস। তবে দিবসটি কক্সবাজারের কোথাও পালিত হচ্ছেনা বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অতীতে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত পৃথক দু’টি ক্যাম্পে প্রতিবছর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শরণার্থী দিবস পালন হতে দেখা গেলেও আজ দেখা যাবে তার অন্যরূপ। দু’টি ক্যাম্প ও এর বাইরে বসবাসরত প্রায় ৪ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী স্বদেশে ফেরত পাঠানোর দাবীতে কুতুপালং ক্যাম্পের সামনের বাজারেই গণসংবাদ সম্মেলনের কর্মসুচী দিয়েছে স্থানীয় রোহিঙ্গা প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির নের্তৃবৃন্দ। তাদের দাবী, দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এখানকার বিষফোঁড়া খ্যাত রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত না পাঠানো হলে সংগ্রাম কমিটির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অপরদিকে মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশে চলমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় রোহিঙ্গাদের উপর সে দেশীয় সামরিক জান্তার নির্যাতনের মৌন প্রতিবাদ সরূপ শরণার্থী ক্যাম্প ও ক্যাম্পের বাইরে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা এবার শরণার্থী দিবস পালন করা থেকে তারা বিরত থাকবেন বলে জানিয়েছেন একাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে এ দেশে প্রথম রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঘটে। এরপর ২য় মেয়াদে ১৯৯১-৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে ফের আড়াই লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অনুপ্রবেশ করে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সেখান থেকে ২ লাখ ২৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে গেলেও উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক ক্যাম্প তৈরী করে এখানে থেকে যায় অবশিষ্ট সেই ২৫ হাজার রোহিঙ্গা। তারা কক্সবাজারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাস শুরু করে। যাদের প্রয়োজনীয় সহযোগীতা দিয়ে যাচ্ছেন জাতিসংঘের ৫টি সহ দেশী ও বিদেশী মোট ৮ টি এনজিও। তবে এসব রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে জনশ্রুতি রয়েছে দু’টি ক্যাম্প থেকে পূর্ণবাসন সরূপ বিদেশ পাঠানো ১১’শ রোহিঙ্গার মত নিজেরাও বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং এ দেশকে কৌশলে পুরোপুরি গিলে খাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে তাদের এই অনুপ্রবেশ প্রচেষ্টা। পাশাপাশি কক্সবাজারকে মিয়ানমারের মত নতুন আরো একটি আরাকান রাজ্যে পরিনত করার জন্য আনুষ্টানিক ঘোষনার মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের সেই অপস্বপ্ন পরিকল্পনার যাত্রা শুরু করবে। আর সে জন্যই সম্প্রতি মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার অজুহাতে এভাবে হুর হুর করে শতশত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসা শুরু করেছে।

ঠিক এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় রোহিঙ্গা প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির সভাপতি এবং উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী। তারা আজ ২০ জুন সকাল ১১ টায় কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের সামনে কুতুপালং বাজারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত স্বদেশে ফেরত পাঠানোর দাবীতে গণসংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, শরণার্থী দিবস নয়, এখানে পালন হবে রোহিঙ্গা শরণার্থী হঠাও আন্দোলন। এ ব্যাপারে শরণার্থী, ত্রান ও প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার (আরআরসি) ফিরোজ সালাউদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশে সম্প্রতি সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রভাবে এখানকার রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোর সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষা ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে এবার শরণার্থী দিবস পালিত হচ্ছেনা।

Both comments and pings are currently closed.

Comments are closed.