»স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর বাইশারীতে বিদ্যুতের আলো »৫ ডিসেম্বর শহীদ দৌলত দিবস : জাতীয়ভাবে দিবসটি পালনের দাবি শহীদ পরিবারের »ধর্মপুর দরবার শরীফের পীরের উপর হামলা্ : রামুতে মানববন্ধন : জড়িতদের শাস্তি দাবি »রামুর উখিয়ারঘোনায় আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল উচ্চ বিদ্যালয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন »রামুর আল হাবিব লাইব্রেরীর মালিকের বসত ঘর পুড়ে ছাই ॥ ক্ষয়ক্ষতি ৩০ লক্ষ টাকার »বাংলাদেশ ফটোজার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের জাতীয় সম্মেলনে ইকবাল সোবহান »কক্সবাজার রেল লাইন সম্প্রসারণের কাজ তদারকিতে এডিবি ও এম,পি কমল »কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাবু পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় যুবলীগের বিশাল সংবর্ধনা »কক্সবাজার স্টেডিয়ামে সাবেক তারকাদের জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ৩০ নভেম্বর »সাংবাদিক তপন চক্রবর্তী বিএফইউজে’র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায় রামু নিউজ ডট কম’র অভিনন্দন »রামু উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান ভুট্টো’র মায়ের ইন্তেকাল ॥ এমপি কমল ও যুবলীগের শোক »কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের জরুরী সভা ৩০ নভেম্বর »“দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে বিমানে চড়াতে হবে” : সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি »রামুর রশিদনগর ইউনিয়ন যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত »কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমীর উদ্যোগে সুফিয়া কামালের জীবনালেক্ষ্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত

রামুতে কাঠবিড়ালের উৎপাত

ফল ফলাদির গাছ রোপন বা উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছে মানুষ
আল মাহমুদ ভূট্টো: কাঠ বিড়ালীর উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রামু উপজেলার অধিকাংশ মানুষ। প্রতিনিয়ত গ্রামের মানুষের রোপিত ও উৎপাদিত সুপারি, নারিকেল, আম, জাম, কাঁঠাল, কলা, পেয়ারা, আতা, পেঁপেসহ প্রায় সব রকমের কাঁচা পাকা ফসল ও ফল কেটে কুটে সাবাড় করে দিচ্ছে। এতে একদিকে যেমন গ্রামীন জনগন অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে অন্যদিকে তেমনি জাতীয় অর্থনীতির উপর এক বিরাট প্রভাব ফেলছে। কাঠবিড়ালী নিধনে সরকারীভাবে কোন কর্মসূচী না থাকায় এদের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ক্ষতির পরিমান দিনদিন বৃদ্ধি পেতে থাকায় গ্রামের মানুষ ফল ফলাদির গাছ রোপন বা উৎপাদনে ধীরে ধীরে আগ্রহ হারাচ্ছে।
উপজেলার এগার ইউনিয়নের প্রায় সব পরিবারেই কাঠবিড়ালের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন খুবই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকের দাবী তারা নিজেরাই বেশ কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করে কাঠবিড়ালী নিধন করলেও কোন পন্থাই তাদের এসব ফল ও ফসলাদি রক্ষা করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। দেখা গেছে এসব উদ্যোগ নেয়ার ২/১ দিনের মাথায় পাশ্ববর্তী এলাকা হতে নতুন করে আবার কাঠবিড়ালীর আগমন ঘটে এবং নতুন করে আবার আক্রমন চলে।  এদের আক্রমনের কোন মৌসুম বা সময় নেই। সারাবছর সারাক্ষণ চলে এদের আক্রমন বা উৎপাত। এভাবে বছরে উপজেলার কয়েক লক্ষ টাকার ফসল ও ফল-ফলাদি এসব কাঠবিড়ালীর পেটে ঢুকে যাচ্ছে।
উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মেরংলোয়া গ্রামের দেলোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, তাঁর ৪০ শতক জায়গায় সহস্রাধিক সুপারী গাছ, ১৫ টি নারিকেল গাছ এবং অন্যান্য ফল গাছে কাঠবিড়ালীর আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে অনেক ফল ও ফসল। কাঠবিড়ালী তাড়াতে নানা পন্থা অবলম্বন করেও কোন ফল পাচ্ছেন না বলে জানান তিনি।
কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের বাসিন্দা কবি ও প্রাবন্ধিক সুলতান আহমদ মনিরী জানান, ক্ষেতের ফসল নষ্টকারী ইদুঁর নিধনে সরকারী ভাবে ব্যবস্থা থাকলেও গাছের ফল বিনষ্টকারী কাঠ বিড়ালী নিধনে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। সুপারী, নারিকেল, আম, কাঁঠাল, পেয়ারা সহ  বাগানের নানা ফল বিনষ্ট করে অর্থনৈতিক ক্ষতি করছে। এসব কাঠবিড়ালী নিধনে ভূক্তভোগীদের পাশাপাশি সরকারেরও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে কাঠবিড়ালী নিধনে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
রামুর বিখ্যাত আইসোলেটেড নারিকেল বীজ বাগানের ইনচার্জ উদ্যান তত্ত্ববিদ এ বি এম শাহ এমরান জানান, কাঠবিড়ালীর আক্রমনে প্রতিদিন বাগানের অনেক নারিকেল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।  এতে করে উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। বাগানটি আকারে বড় হওয়ায় কাঠবিড়ালী নিধনে তেমন কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছেনা।
রামু উপজেলা  কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন জানান, এ সম্পর্কে তাঁরা অবগত থাকলেও সরকারী কোন বরাদ্ধ বা কর্মসূচী না থাকায় এক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের পক্ষে কোন উদ্যোগ নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। তবে কাঠবিড়ালী দ্বারা যে হারে ফসল, ফল, তিনি ফলাদি নষ্ট হচ্ছে তা আশংকাজনক বলে মন্তব্য করে স্থানীয় এলাকাবাসীকে নিজেদের উদ্যোগে এ ব্যাপারে কিছু প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করার পরামর্শ দেন তিনি।